Login to your account

Username *
Password *
Remember Me

Create an account

Fields marked with an asterisk (*) are required.
Name *
Username *
Password *
Verify password *
Email *
Verify email *
Captcha *
Reload Captcha
September 27, 2022

র‌্যাব-৯ এর একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৈতন্যপুর এলাকা থেকে সৈয়দ শামসুল ইসলাম আতিক (২৬) নামের এক যুবককে ১টি রিভলবার, কার্তুজসহ তাকে আটক করে নবীগঞ্জ থানা পুলিশে সোর্পদ করেছেন। ধৃত আতিক মৌলভীবাজার জেলার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত সৈয়দ এখলেছুর রহমানের ছেলে। বর্তমানে তারা চৈতন্যপুর বসবাস করেন। এ ব্যাপারে র‌্যাব-৯ এর কর্মকর্তা মোঃ গোলাম সারওয়ার বাদী হয়ে থানায় মামলা দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাযায়, র‌্যাব-৯ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন, নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের চৈতন্যপুর গ্রামের চৌধুরী বাড়ীতে ধর্তব্য অপরাধ সংগঠনের জন্য মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্রসহ কতিপয় লোক অবস্থান করিতেছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিদের্শে র‌্যাব-৯ এর ডিএডি মোঃ গোলাম সরওয়ার সিপিসি-১, শায়েস্তাগঞ্জ, হবিগঞ্জের একদল র‌্যাব সদস্য রবিবার দিবাগত রাতে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় সৈয়দ শামসুল ইসলাম আতিক (২৬) কে আটক করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি ও নিজ হাতে বের করে দেয়া মতে তার বসত ঘর থেকে গোলাপী রংয়ের ছোট শপিং ব্যাগের ভিতর রক্ষিত একটি লোহার তৈরী কালো রংয়ের দেশীয় তৈরী রিভলবার. যাহার কাঠের বাটসহ ১০ ইঞ্চি লম্বা, ২টি ফায়ারকৃত বুলেটের কার্তুজ এবং ৩টি ফায়ারকৃত বুলেটের সামনের অংশ ধৃত সৈয়দ শামসুল ইসলাম আতিকের হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয়। সোমবার সন্ধ্যায় ধৃত সৈয়দ শামসুল ইসলাম আতিক কে অস্ত্র ও কার্তুজসহ থানা পুলিশে সোর্পদ করেছেন র‌্যাব-৯। এ ব্যাপারে র‌্যাব-৯ এর কর্মকর্তা মোঃ গোলাম সরওয়ার বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা নং ১৭, তারিখ ২৬-০৯-২০২২ইং দায়ের করেছেন।

নবীগঞ্জ পৌর এলাকার ওসমানী রোডস্থ বায়তুন নূর জামে মসজিদের বিতরে রাখা জুতা রাখার বক্স থেকে ৩ দিনের এক নবজাতক শিশুকে উদ্ধার করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ।  পুলিশ পৌর এলাকার  আনমুনু গ্রামের জৈনক এক মহিলার কাছে শিশুটিকে হেফাজতে রেখেছেন।  পুলিশ ও  এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়,সোমবার এশার নামাজের সময় মসজিদে এক মুসল্লী হঠাৎ করে  নব জাতক বাচ্চার কান্নার শব্দ শুনতে পান। জুতার বক্সে নবজাতকে দেখতে পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশকে অবগত করলে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ডালিম আহমেদের নির্দেশনায় এস আই আবু সাঈদ,বিজয়সহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটিকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ডালিম আহমেদ জানান,নবজাতক শিশুটিকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা প্রদান করে স্থানীয় জৈনক একজন মহিলার অধীনে রাখা হয়েছে।

বানিয়াচংয়ে হাওরের মধ্যে কাজ করা অবস্থায় বজ্রপাতে দুই কৃষকের প্রানহানীর ঘটনা ঘটেছে। এই মৃত্যুর ঘটনায় বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উভয় পরিবারের মধ্যে ২০হাজার করে টাকা প্রদান করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তিরা হলেন বানিয়াচং উপজেলা সদরের ১নং উত্তর পূর্ব ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে মজলিশপুর মদিনা পাড়া(বন্দের বাড়ির)মৃত মোহাম্মদ খতিব উল্লার ছেলে মোহাম্মদ আব্দুল করিম মিয়া(৬০)ও একই পাড়ার পাশের বাড়ির মৃত মোহাম্মদ তারা উল্লার ছেলে মোহাম্মদ নুর উদ্দিন মিয়া(৫০)। ঘটনাটি ঘটেছে ২৪সেপ্টেম্ভর শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায়। এলাকাবাসী ও উভয়ের পরিবার সূত্রে জানাযায়, মজলিসপুর লক্ষীবাউর রোডের মাধ্যের বিল এড়িয়ার (পিঠাবাড়ি)হাওরে আমন ধানি জমিতে কৃষি কাজ করতে যান দু'জন। এসময় হঠাৎ একটি বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান নিহতরা। পরে আশপাশের হাওরে ধানি জমিতে কাজ করা অন্য শ্রমিকরা তাদেরকে জমির মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে কাছে আসেন। এবং তাদের মৃত অবস্থায় দেখতে পান। তাৎক্ষণিক তারা বিষয়টি উভয় পরিবারের লোকজনের মধ্যে অবগত করলে পরিবারের লোকজনসহ এলাকাবাসী হাওরে গিয়ে জমি থেকে লাশ গুলো উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। এদিকে এলাকাবাসীর কাছ থেকে নিহত হওয়া আব্দুল করিম মিয়ার পরিবারে রয়েছে স্রীসহ ৬টি সন্তান রয়েছে। তাদের মধ্যে ১টি ছেলে ও ৫টি মেয়ে কন্যা সন্তান রয়েছে। আর নুর উদ্দিন মিয়ার পরিবারে স্রী সহ ৬টি সন্তান রয়েছে। তাদের মধ্যে ২ছেলে ও ৪ মেয়ে কন্যা সন্তান রয়েছে। উভয় পরিবারের উপার্জনকারীকে হারিয়ে আকাশ বাসাত ভারী হয়ে উঠে তাদের আহাজারিতে। তাদের পাশের বাড়ির বাসিন্দা জাহের মিয়া ও বাউল শিল্পী শাহ মুজাহিদ মিয়া জানান,নিহত হওয়া দু'জন এলাকার মধ্যে খুবই ভালো মানুষ ছিলেন এবং একে অন্যর সাথে খুবই ভালো সম্পর্ক রেখে একসাথে চলাফেরা করতেন। এমনকি তারা হাওরের কৃষিকাজ সকল ধরনের কাজকর্ম বন্ধুর মতো করে একসাথেই করতেন। আজও এর তেমন একটা ব্যতিক্রম হয়নি তাদের কাজে যাওয়ার মধ্যে। এক সাথে গিয়েছিলেন কাজে এবং এক সাথেই মৃত্যু বরণ করলেন। উভয়ের পরিবার সূত্র ও ১নং ইউপির ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার মুনসুর মিয়া তাদের জানাজা ও পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করার বিষয়টিও নিশ্চিত করে বলেন,আজ বাদ মাগরিবের নামাজের পর মজলিসপুর জামে মসজিদ মাঠে উভয়ের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে এবং তাদেরকে পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হবে বলেও জানান তিনি। এ ব্যপারে বানিয়াচং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মলয় কুমার দাসের সাথে যোগাযোগ করা তিনি জানান,তাদের নাম ঠিকানা সহকারে সবকিছু তথ্য জেলায় প্রেরন করা হয়েছে। এবং উভয় পরিবারকে ২০হাজার করে টাকা প্রদান করা হবে। এদিকে তাদের মৃত্যুর খবর শুনে বানিয়াচং উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরী ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদ্মা সিংহ তাদের বাড়িতে বেলা ৩টার দিকে দেখতে যান। এবং তারা পরিবারের সবাইকে শান্তনা দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং সমবেদনা প্রকাশ করে উভয় পরিবারের হাতে নগদ ২০হাজার করে অর্থ প্রদান করেন। এ ব্যাপারে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)অজয় চন্দ্র দেবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,বজ্রপাতে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের কোনো প্রকার অভিযোগ না থাকার কারনে তাদের লাশটি দাফন করার জন্য উভয় পরিবারকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাগরিবের নামাজের পর বিভিন্ন এলাকার মুসল্লীগন মজলিসপুর জামে মসজিদ মাঠে পাঙ্গনে হাজারো মুসল্লীগনের উপস্থিতিতে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে উভয় দু'জন পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়।

হাজারো মানুষের ভালবাসা নিয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন নবীগঞ্জ উপজেলার বাবর নিাবার্চিত  হবিগঞ্জ জেলার সনামধন্য সালিশ বিচারক জনপ্রিয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হাই। ২৩ সেপ্টেম্বের,শনিবার ৩ দফা নামাজে জানাজা শেষে বাউসা ইউনিয়নের বদরদি নিজ গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুম আব্দুল হাইয়ের লাশ দাফন করা হয়।মরহুমের ১ম জানাজার নামাজ শুক্রবার সকাল ১১ টায় চৌধুরী বাজার ধুলচাতল তাজিয়া মুবাশি^রিয়া মাদ্রাসা মাঠে, ২য় জানাজা বেলা ২ টায় নবীগঞ্জ জেকে হাই স্কুল মাঠে এবং ৩য় জানাজা মরহুমের গ্রামের বাড়ি বদরদী মাঠে অনুষ্টিত হয়।নবীগঞ্জ জেকে হাই স্কুল মাঠে ২য় জানাজার আগে মরহুম আব্দুল হাই এর জীবনাদর্শ নিয়ে সংক্ষিপ্ত স্মৃতিচারণ করেন,নবীগঞ্জÑবাহুবলের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শেখ সুজাত মিয়া, জেলা পরিষদের প্রসাশক ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরী,জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী,নবীগঞ্জ পৌর সভার মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমদ চৌধুরী,সাবেক মেয়র তোফাজ্জল ইসলাম চৌধুরী,সিলেট মদন মোহন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ্য আবুল ফতে ফাত্তাহ,বাউশা ইউপি চেয়ারম্যান সাদিকুর রহমান শিশু,সদর ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব,সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তি যোদ্ধা আব্দুর রউফ,আ.ক.ম ফখরুল ইসলাম,নুরুল ইসলাম।জানাযার নামাজে অংশ নেন,উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহব্বায়ক মুজিবুর রহমান সেফু,যুগ্ম আহব্বায়ক শিহাব আহমেদ চৌধুরী,মজিদুল করিম মজিদ,বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুমিন,বানিয়াচুং বিএনপির সিনিয়র-সহ সভাপতি আব্দুল হাদী,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজভী আহমেদ খালেদ,শিক্ষক সমিতির নেতা শামিম আহমেদ চৌধুরী,বিএনপি নেতা মুশফিকুজ্জামান চৌধুরী,মনর উদ্দিন,পৌর যুবদলের আহব্বায়ক মোঃ আলমগীর মিয়া,উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রায়েছ আহমেদ চৌধুরী,যুবদল নেতা অলিউর রহমান অলি,আবুল কালাম মিঠু,ওয়াহিদুজ্জামান জুয়েল,শামিম আহমেদসহ নামাজে জানাজায় সামাজিক, রাজনৈতিক,শিক্ষক, সাংবাদিক,ব্যবসায়ী,দিনমজুরসহ সকল শ্রেণীপেশার লোকজন অংশগ্রহণ করেন।পরে মরহুমের লাশবাহী গাড়িতে উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপি,যুবদল, ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান।  তিনি নবীগঞ্জ উপজেলার বিশিষ্ট শালিস বিচারক, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব বাউসা ইউনিয়নের বারবার নির্বাচিত স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত প্রাক্তন চেয়ারম্যান সকলের পরিচিত মূখ ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার সকাল ৭ টায় ঢাকাস্থ ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এর আগে তিনি ৭ সেপ্টেম্বর নিজ বাসায় সিড়িঁ থেকে পা পিচলে পড়ে গিয়ে মাথায় আহত হন। গুরুতর অবস্থায় তিনি ঢাকাস্থ ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হসপিটালে আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন।দীর্ঘদিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে বৃহস্পতিবার সকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। তার মৃত্যুর খবর নবীগঞ্জ পৌছলে উপজেলার সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে আসে। তিনি এক সময় নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া এই বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আব্দুল হাই নবীগঞ্জ পৌরসভার ১ম নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেন।পরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা করেন। তিনি উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের সংঘাত, সংঘর্ষ, দাঙ্গা-হাঙ্গামার ঘটনায় সৃষ্ট সালিশ বিচারে অংশ নিয়ে বিচক্ষনতার সহিত দায়িত্ব পালন করে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। মরহুমের ৩য় জানাজা মরহুমের গ্রামের বাড়ি বদরদী মাঠে ২টা৪৫ মিনিটে  অনুষ্টিত হয়। ব্যক্তিগত জীবনে স্ত্রী, ৬ কন্যা ও একমাত্র পুত্র সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে যান। জানাযার নামায শেষে তাকে তার গ্রামের বাড়ী বদরদিতে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

নবীগঞ্জ উপজেলার বিশিষ্ট শালিস বিচারক, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব বাউসা ইউনিয়নের বারবার নির্বাচিত স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত প্রাক্তন চেয়ারম্যান সকলের পরিচিত মূখ আলহাজ্ব আব্দুল হাই আর নেই (ইন্নালিল্লাহি—- রাজিউন)। গত বৃস্পতিবার সকাল ৭ টায় ঢাকাস্থ ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এর আগে তিনি ৭ সেপ্টেম্বর নিজ বাসায় সিড়িঁ থেকে পা পিচলে পড়ে গিয়ে মাথায় আহত হন। গুরুতর অবস্থায় তিনি ঢাকাস্থ ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হসপিটালে আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। দীর্ঘদিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে বৃহস্পতিবার সকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। তার মৃত্যুর খবর নবীগঞ্জ পৌছলে উপজেলার সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে আসে। তিনি এক সময় নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া এই বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আব্দুল হাই নবীগঞ্জ পৌরসভার ১ম নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেন। পরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা করেন। তিনি উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের সংঘাত, সংঘর্ষ, দাঙ্গা-হাঙ্গামার ঘটনায় সৃষ্ট সালিশ বিচারে অংশ নিয়ে বিচক্ষনতার সহিত দায়িত্ব পালন করে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। মরহুমের ১ম জানাজার নামাজ আজ সকাল ১১ টায় চৌধুরী বাজার ধুলচাতল তাজিয়া মুবাশি^রিয়া মাদ্রাসা মাঠে, ২য় জানাজা বেলা ২ টায় নবীগঞ্জ জেকে হাই স্কুল মাঠে এবং ৩য় জানাজা মরহুমের গ্রামের বাড়ি বদরদী মাঠে অনুষ্টিত হবে। ব্যক্তিগত জীবনে স্ত্রী, ৬ কন্যা ও একমাত্র পুত্র সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে যান।

নবীগঞ্জে কুর্শি ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ খালেদুর রহমান খালেদের বিরোদ্ধে একটি প্রাইভেট গাড়ি চালককে মারধর করার অভিযোগ উঠৈছে। এ ঘটনা জানাজানি হলে  মুর্হত্বে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমের  সারা জেলাসহ ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনা নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। তারা নবীগঞ্জ থানাকে অবগত করে আজকে রাতে প্রতিবাদ সভার ডাক দিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত রবিবার বিকেলে । শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধের আল্টিমেটাম দিয়েছেন। এনিয়ে উপজেলা  জুড়ে তোলপাড় হচ্ছে। জানাযায়, বাহুবল উপজেলার ¯œানঘাট ইউনিয়নের অমৃর্তা গ্রামের প্রাইভেট কার চালক আব্দুর জব্বার খান (৩০) গত রবিবার বিকেলে কুর্শি ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্টানে আসেন। এসময় কুর্শি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ খালেদুর রহমানের এনাতাবাদ গ্রামের বাড়ি সামনে ড্রাইভার আব্দুর জব্বার তার গাড়িটি সাইট করে রাখেন। কিছুক্ষন পর চেয়ারম্যান সৈয়দ খালেদ গাড়ি নিয়ে তার বাড়িতে ডুকতে চেষ্টা করেন গাড়ির জন্য টুকতে না পেরে তিনি উত্তেজিত হয়ে ওই চালককে বেধরক মারপিট করেন। এসময়ে চেয়ারম্যানের থাব্বরে তার কান দিয়ে রক্ত আসে। এসময় তিনি ওই চালকের শোর চিৎকারে তার মালিক তোফাজ্জুল হোসেন এসে চেয়ারম্যানকে থামানো চেষ্টা করেন। কিন্তু ক্ষিপ্ত চেয়ারম্যান এসময় তার লোকজন ডেকে এনে গাড়িটি ভাংচুর করার জন  বলেন। পরে গাড়ির মালিক তোফাজ্জল হোসেন লোকজনের সহায়তায় গাড়িটি ও আহত শ্রমিক জব্বার খান কে নিয়ে বাহুবল উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। তাকে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আহত আব্দুর জব্বারের গাড়িতে থাকা লোকজন স্থানীয় নবীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরীকে বিষয়টি জানান, চেয়ারম্যানের সাথে কথা হলে তিনি এবিষয়ে কোন কোন মন্তব্য করতে চাননি। কোন সমাধান দিতে পারেননি।এবিষয়ে কোন সমধান না পেয়ে গাড়িরর ড্রাইভার নবীগঞ্জ, বাহুবল ও হবিগঞ্জ  শ্রমিক  ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দকে বিষয়টি জানালে মুহুর্তে প্রশাসনিক লোকজন ও সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমের দেশ বিদেশের লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে বিভিন্ন রকম মন্তব্য করতে দেখা গেছে। চেয়াম্যানের হাতে শ্রমিক লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনায় শ্রমিক নেতাদের মােেঝ ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিচারের  দাবিতে শ্রমিক নেতারা মানববন্ধন ও মহাসড়ক অবরোধ কর্মসুচির নিয়ে আজ সোমবার রাতে পরামর্শ সভা । ঘটনাটি সমধান করার জন্য চেয়ারম্যান খালেদের দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন। এবিষয়ে নবীগঞ্জে কুর্শি ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ খালেদুর রহমান খালেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষযটির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনার সাথে জড়িত নয় কেবা কারা করছে আমি জানি না। নবীগঞ্জ বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম সুমন, বলেন নবীগঞ্জে কুর্শি ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ খালেদুর রহমান খালেদ সকাল থেকে তিনি কয়েকবার আমার সাথে যোগাযোগ করে দুঃখ প্রকাশ করে বিষয়টি আপোষে মীমাংসা করা জন্য বলেছেন। আমি গাড়ির মালিকের সাথে কনফারেন্সে কথা বলে দিয়েছি। শ্রমিক নেতা অনু আহমদ বলেন, চেয়ারম্যান খালেদ আমার সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করে বলেছেন, তিনি বিষয়টি আপোষে মীমাংসা করতে রাজি। আমরা কোন আন্দোলন না করার জন্য। আমরা আজকে সন্ধ্যায় এবিষয়ে পরামর্শ সভায় বসবো। বাহুবল উপজেলার ¯œানঘাট ইউনিয়নের অমৃর্তা গ্রামের প্রাইভেট কার চালক আব্দুর জব্বার খান বলেন,আমি গাড়ির সরাতে সামান্য বিলম্ভ হওয়ার জন্য চেয়ারম্যান সাব আমাকে মারপিট করেছেন। আমার কান দিয়ে রক্ত আসছে। আমি এবিষয়ে কোন আপোষ করবো না। কালকে মামলা করবো।  নবীগঞ্জ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সোফায়েল আহমদ বলেন, নবীগঞ্জে কুর্শি ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ খালেদুর রহমান খালেদ আমাদের শ্রমিককে অন্যায় ভাবে মারপিট করে আহত করেছেন। তিনি আবার তার লোকজন দিয়ে ফেসবুকে উল্টাপাল্টা লেখালেখি করাচ্ছেন। আমরা এসঠিক বিচার না পেলে দুই একদিনের মধ্যে ঢাকা সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করবো। আজকে  সোমবার রাতে কর্মসুচী নিয়ে পরামর্শ সভা করবো।  এব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ওসি ডালিম আহমদ বলেন আমি ঘটনাটি শোনেছি এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি।অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নে নিখোঁজের দুইদিন পর বিবিয়ানা নদী থেকে লিটন মিয়া (৪৮) নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। শনিবার সকাল ৭টায় উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের বিবিয়ানা নদী থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, লিটন মিয়া উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যসমত গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের পুত্র। লিটন মিয়া ইনাতগঞ্জ বাজারের প্রতিষ্টিত সবজি ব্যবসায়ী। গত বৃহস্পতিবার রাতে ব্যবসা বন্ধ করার পর আর বাড়ি ফিরেনি।তার মোবাইল ফোন ও বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারসহ আত্মীয়স্বজন অনেক খোঁজাখঁজি করেও কোথাও সন্ধান পাননি লিটনের।অবশেষে শনিবার সকাল ৭টায় নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা গ্রামের ভিতর দিয়ে বিবিয়ানা নদীতে (মরা নদী) স্থানীয় লোকজন ভাসমান অবস্থায় লিটন মিয়ার লাশ ভাসতে দেখতে পান। পুলিশকে বিষয়টি অবগত করলে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ডালিম আহমেদ,ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির ইনচার্জ কাওসার আহমেদসহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছেঁ লাশটি উদ্ধার করেন। এ সময় লিটনের স্বজনরা লাশ সনাক্ত করেন। পরে পুলিশ লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়না তদন্তের জন্য লাশ হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করে।নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ডালিম আহমেদ জানান,লাশ ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এখনো মামলা হয়নি। মামলা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সারাদেশে কেন্দ্রীয় বিএনপির কর্মসূচির অংশ হিসেবে নবীগঞ্জ পৌর বিএনপির শুক্রবার  জুম্মার পর ছিল বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি। পৌর বিএনপির শান্তিপূন প্রোগ্রাম ঠেকাতে নবীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করায় কর্মসূচি বাতিল করার তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলন করেন নবীগঞ্জ পৌর বিএনপি। শুক্রবার বিকেলে সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শেখ সুজাত মিয়ার বাস ভবনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন,নবীগঞ্জ-বাহুবলের সাবেক সংসদ সদস্য কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব শেখ সুজাত মিয়া,পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি নবীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমদ চৌধুরী। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পৌর বিএনপির  আহবায়ক ছালিক আহমদ চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ডাঃ আব্দুল আলীম ইয়াছিন যুগ্ম আহব্বায়ক জয়নাল আবেদীন,নুরুল আমিন,বিএনপি নেতা সাবেক কাউন্সিল রহুল আমিন রফু, সুন্দর আলী,মুশফিজ্জামান নোমান,সাইফুর রহমান মালিক,পৌর যুবদলের আহবায়ক মোঃ আলমগীর মিয়া,পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ছায়েদ আহমেদসহ, বিএনপি,ছাত্রদল,,যুবদল,মহিলাদল, কৃষকদল, শ্রমিকদলসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

নবীগঞ্জ উপজেলায় পিতা-মাতাকে শারীরিক নির্যাতন ও অপমান অপদস্তের দায়ে উজ্জ্বল মিয়া (২৫) নামে এক যুবককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১০ টার দিকে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মহিউদ্দিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এ দণ্ডাদেশ দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত- উজ্জ্বল মিয়া (২৫) উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের কালিয়ারভাঙ্গা গ্রামের মজিবর রহমানে ছেলে। জানা যায়- প্রায়ই পিতা-মাতাকে শারীরিক নির্যাতন, অপমান ও ভয় হুমকি দিয়ে টাকা আদায় করে আসছিল উজ্জ্বল। এ ঘটনায় পিতা-মাতা অতিষ্ঠ হয়ে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করেন। মঙ্গলবার রাতে ফের পিতা-মাতাকে শারীরিক নির্যাতন ও অপমান অপদস্ত করে উজ্জ্বল। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উজ্জ্বলকে আটক করেন। পরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে উজ্জ্বলকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযানে এস আই নাঈমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মোবাইল কোর্টে সহায়তা করেন। নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মহিউদ্দিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় সাংবাদিক এম, মুজিবুর রহমানের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত রাত সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত অস্ত্রধারীরা চালায সন্ত্রাসী তান্ডব৷ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের দাউদপুর গ্রামে এঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়- গত (৩১ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে নির্বাচনী প্রতিহিংসা ও গ্রাম্য বিরোধের জের ধরে দীঘলবাক ইউনিয়নের দাউদপুর এলাকায় দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের প্রতিনিধি ও ওই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য শাহ সুলতান আহমেদকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ ঘটনায় সাবেক ইউপি সদস্য ফখরুল ইসলাম জুয়েলের বাড়িতে গোপন মিটিং করে সংঘবদ্ধ দূর্বৃত্তরা হামলা চালায়৷ জুয়েলের ভাই জুনেদ মিয়াসহ ৫জনকে আসামী করে সুলতান হামলার ঘটনার জেরধরে ও সংবাদ প্রকাশ এবং প্রতিবাদ করায় এ হামলার ঘটনা ঘটে৷ । এদিকে সাংবাদিক শাহ সুলতানের উপর হামলার প্রতিবাদে ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে প্রতিবাদ জানান দৈনিক আমার সংবাদের প্রতিনিধি ও নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান। এ ঘটনার জের ধরে সোমবার রাত সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত দীঘলবাক ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জুয়েল ইসলামের নেতৃত্বে গোপন বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়ে জুয়েলসহ ২০/২৫ জন সাংবাদিক মুজিবুর রহমানের বাড়িতে হামলা ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এসময় ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর করা হয়। সাংবাদিক মুজিবুর রহমান অভিযোগ করে বলেন- আমি জরুরি কাজে সুনামগঞ্জে আছি, আমার অনুপস্থিতি সাবেক মেম্বার জুয়েলের নেতৃত্বে আমার বাড়িঘরে হামলা ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়েছে, পুলিশের যথাযথ সহযোগীতা না পাওয়ার অভিযোগ করেন সাংবাদিক মুজিব। এ প্রসঙ্গে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ডালিম আহমেদ জানান- খবর পেয়েছি, ঘটনাস্থলে পুলিশ যাচ্ছে, যাতায়াত ব্যবস্থা খারাপ হওয়ায় পুলিশ যেতে সময় লাগছে।

  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular