September 27, 2022
Monday, 01 August 2022 03:11

বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশে খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির ॥ জনগণের মুখোমুখি হওয়ার কলিজা আওয়ামীলীগের নেই Featured

নিজস্ব প্রতিনিধি

দৈনিক নবীগঞ্জের ডাক 

বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির বলেছেন- জনগণের মুখোমুখি হওয়ার কলিজা আওয়ামীলীগের নেই। তাই বাংলাদেশের রাজপথে জনগণ দেখলেই আওয়ামীলীগের কলিজা কেপে উঠে। নিরাপদ সড়ক চাই শিশুদের আন্দোলনই বলেন, আর বিএনপির আন্দোলনই বলেন, রাজপথে মানুষ দেখলেই আওয়ামীলীগ মনে করে এই বুঝি মতা চলে যায়। তাই বিএনপিকে রাজপথে নামতে দেয় না। পুলিশ দিয়ে বিএনপির কর্মসূচীতে বাধাঁ সৃষ্টি করে। আওয়ামীলীগ সম্পূর্ণরূপে প্রশাসন নির্ভর হয়ে পড়েছে। পুলিশ প্রশাসন দিয়ে তারা জনগণকে দমিয়ে রাখতে চায়।তিনি গতকাল রবিবার দুপুরে শহরের শায়েস্তাগনগরস্থ বিএনপির কার্যালয়ের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। নজিরবিহীন লোডশেডিং ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি প্রতিবাদে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির আরও বলেন- সরকারের লাগামহীন দূর্নীতির কারণে বাংলাদেশে বৈদেশিক রেমিটেন্স আসা কমে গেছে, ডলারের সাথে টাকার মূল্য কমে গেছে। তাই গ্যাস আমদানি করতে সরকারের হাতে ডলার নেই। গ্যাসের অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন- বাংলাদেশের এখন বিদ্যুৎ উৎপাদন করার সমতা রয়েছে প্রায় সাড়ে ২২ হাজার মেঘাওয়াট। কিন্তু বাংলাদেশের পিক আওয়ারে আমাদের বিদ্যুৎ ব্যাবহারের সর্বোচ্চ চাহিদা থাকে প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার মেঘাওয়াট। তার মানে ৮ হাজার মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো অলস পড়ে থাকে। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো সরকার তাদের পছন্দের লোক দিয়ে স্থাপন করেছে। তাদের সাথে যে চুক্তি হয়েছিল ৩ বছরের, এখন সেই চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে প্রায় ২২ বছর করা হয়েছে। এ জন্য সরকারকে ওই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালিককে ক্যাপাসিটি পেমেন্ট হিসেবে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা পেমেন্ট করতে হচ্ছে। এই ক্যাপাসিটি বিল পেমেন্ট করতে গিয়ে পাকিস্তান দেওয়ালিত্বের দ্বারপ্রান্তে চলে গেছে। সেই পাকিস্তানকে অনুস্বরণ করে বাংলাদেশ সরকারও আজ দেওয়ালিয়াত্বের দ্বারপ্রান্তে। মোক্তাদির বলেন- আওয়ামীলীগ জনগণের সামনে পাকিস্তানকে গালি দেয়, আর উঠতে বসতে পাকিস্তানকে অনুস্বরণ করে। শেখ হাসিনা এ বছর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে আম উপহার পাঠিয়েছেন। অথচ বাংলাদেশের কোন সরকার অতিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে আম উপহার পাঠায়নি। পাকিস্তানের ভুট্টুকে দাওয়াত করে কে বাংলাদেশের নিয়ে এসেছিলেন তাও বাংলাদেশের মানুষ জানে। তিনি বক্তব্যের শুরুতেই পুলিশকে উদ্দেশ্যে করে বলেন- আপনারা আমাদের বোনের নিকট যে টাকা দিয়ে আসেন এক মাস সংসার চালানোর জন্য, সেই টাকা ২০ দিনেই শেষ হয়ে যায়। তখন আমাদের বোনগুলো আফসোস করে বলেন- ২০১৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর রাতে যদি আপনাদের ঘরে আটকে রাখতে পারতেন, শাসন করেই হোক আর সোহাগ করেই হোক, তাহলে বাংলাদেশের এত বড় সর্বনাশ হতো না। লোটেরা আওয়ামীলীগ দেশের মতায় আসার সুযোগ পেতো না।তিনি বলেন- ইনশাআল্লাহ, দেশনায়ক তারেক রহমানের হাত ধরেই আবারও দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জোয়ার সৃষ্টি হবে। সেই দিন আর বেশি দুরে নয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ পৌরসভার পদত্যাগকারী মেয়র আলহাজ্ব জি কে গউছ।সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শেখ সুজাত মিয়া। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি এডভোকেট শামছু মিয়া চৌধুরী, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এডভোকেট হাজী নুরুল ইসলাম, সরদার মোঃ আইয়ুব আলী পোদ্দার, মহিবুল ইসলাম শাহীন, ফরহাদ হোসেন বকুল, গীরেন্ড চন্দ্র রায়। সদর উপজেলা বিএনপি ঃ সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুল ইসলাম মতিন, আজম উদ্দিন, এডভোকেট আফজাল হোসেন, হাবিবুর রহমান, এম এ মানিরক, সৈয়দ আজহারুক হক বাকু, কাজী শামছু মিয়া, বাবর আলী, ফরিদ মিয়া, আব্দুস সোবহান, হাজী আব্দুল মতিন, শাহিন মিয়া, গোলাম মোস্তফা, হাজী জুলমত আলী, হাফিজুর রহমান খান, শাহিনুর রহমান শাহিন, মীর কামরুজ্জামান রুবেল, মঞ্জু মিয়া, ইদ্রিস মিয়া, হাফেজ উসমান, মমিন মিয়া, মোঃ আলাউদ্দিন, হেলাল মিয়া, শিপন আহমেদ, জিল্লুর রহমান জিলু, শহিদ মিয়া, আবুল কালাম, মাসুক মিয়া, সেলিম মিয়া প্রমুখ। হবিগঞ্জ পৌর বিএনপি ঃ হবিগঞ্জ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা রফিক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম নানু, যুগ্ম আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম চৌধুরী ফরিদ, মোঃ আলাউদ্দিন, মর্তুজা আহমেদ রিপন, নাজমুল হোসেন বাচ্চু, মুজিবুর রহমান মুজিব, মহিবুর রহমান টিপু, শাহ মুশলিম, আব্দুর রউফ, লিটন আহমেদ, কামাল খান, মামুন আহমেদ, সাহেব আলী, আব্দুল হান্নান, আমীর আলী, আক্কাস আলী, হারিস মিয়া, গোলাপ খান, ইলিয়াছ মিয়া, আনোয়ার আলী, আনিসুজ্জামান জেবু, ইকবাল আহমেদ, কাজল মিয়া, সাজিদ মিয়া, বজলুর রহমান, বাদল আহমেদ, আছকির মিযা, আবুল হোসেন, আবুল হোসেন, ফকির নেওয়াজ, আব্দুর রাজ্জাক চৌধুরী বকুল, আকবর আলী, রুহুল আমিন, ছুরত আলী, নাসির উদ্দিন, দেওয়ান মোহাইমিন চৌধুরী ফুয়াদ, জয়নাল আবেদীন, গাজী খান আফজাল, শাহ সাহান, আব্দুল আহাদ মনা, আজিজুর রহমান মিজান, মনিরুল হক, শফিকুর রহমান, আব্দুস সালাম, আলকাছ মিয়া, আখলাছ মিযা, গাজী রিপন, শাহ তাউছ, নুর মোহাম্মদ, আবুল হাসান, রাজু বিশ্বাস প্রমুখ। শায়েস্তাগঞ্জ পৌর বিএনপি ঃ শায়েস্তাগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি মেয়র ফরিদ আহমেদ অলি, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ, মিজানুর রহমান শাকীম, নুরুল হোসেন বাচ্চু, শামীম চৌধুরী, ওয়াহিদ মিয়া প্রমুখ।শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ঃ শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফজলুল করিম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু তাহের, সহ সভাপতি নিজামুল ইসলাম বিলাল, আব্দুল আজিজ ফরহাদ, আব্দুল হাই, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্বাস উদ্দিন, শহীদ মেম্বার, আব্দুল কাইয়ুম ফারুক, নিজাম উদ্দিন মোহন, নুরুল ইসলাম এংরাজ, সাইফুল ইসলাম, ইলিয়াছ মিয়া, সেলিম আহমেদ, আসকির মেম্বার, হুমায়ুন কবির, হাসানুর রহমান ইনু, কবির আহমেদ সোয়াব, লুৎফুর রহমান, আব্দুল মজিদ কনাই, আব্দুন নুর প্রমুখ। লাখাই উপজেলা বিএনপি ঃ লাখাই উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি শেখ ফরিদ মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম গোলাপ, সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুদ্দিন আহমেদ, এডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম, মাহফুজুর রহমান চৌধুরী, জয়নাল আবেদীন প্রমুখ। চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপি ঃ চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মীর সিরাজ আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম শ্যামল তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল করিম সরকার, খায়রুল আলম, প্রফেসর আব্দুল হামিদ, নুরুল আমিন, নিল মিয়া, আব্দুল মতিন, কামরুল হাসান শামীম, প্রফেসার আব্দুল হামিদ তালুকদার, আবু তাহের নিল, হাবিবুল আলম, আফজাল খান, সৈয়দ মাহফুজ, হাজী আব্দুল মালেক, হাজী আবু জাহির, আলহাজ্ব খাইয়রুল আল, প্রমুখ। চুনারুঘাট পৌর বিএনপি ঃ চুনারুঘাট পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফজলুর রহমান আবিদ, সাধারণ সম্পাদক হাজী দিদার হোসেন, আব্দুল কাদির সরকার, মশিউর রহমান টিপু, আব্দুর রহমান, হাজী রোছন আলী, আব্দুল কালাম প্রমুখ। বানিয়াচং উপজেলা বিএনপি ঃ বানিয়াচং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফজলে রকীব মাখন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক জাহির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মিয়া, বিএনপি নেতা ওয়ারিশ উদ্দিন খান, এডভোকেট আব্দুল কাদির, মহিবুর রহমান বাবলু, মতিউর রহমান মতু, নাজমুল হোসেন, ইয়াজ উদ্দিন রাসেল, এমদাদুল হক রকি, সৈকত হোসেন খান, মাওলানা লুৎপুর রহমান, দিদার হোসেন, সোহেল মিয়া, ওয়াদিুল মুরাদ, আশরাফ এলাহি, কাওছার আহমেদ, সাইফুল ইসলাম টিপু, আল আবেদ জাবেদ, ইউসুফ তরফদার, নুরুল হক প্রমুখ।বাহুবল উপজেলা বিএনপি ঃ বাহুবল উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তুষার, সাধারণ সম্পাদক হাজী শামছুল আলম, হাফেজ আব্দুর রকিব, এনামুল হক এনাম, আব্দুল হাই শিবুল, খুর্শেদ আলম সুজন প্রমুখ। নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ঃ নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সরফরাজ চৌধুরী, সাবেক সভাপতি মতিউর রহমান পিয়ারা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মজিবুর রহমান সেফু, মজিদুর রহমান মজিদ, রিপন চৌধুরী, শাহীদ আহমেদ, মতিউর রহমান জামাল, হারুনুর রশিদ, রাসেল আহমেদ প্রমুখ। নবীগঞ্জ পৌর বিএনপি ঃ নবীগঞ্জ পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী, নাজমুল ইসলাম, অরবিন্দু রায়, আলাউর রহমান প্রমুখ। আজমিরীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ঃ আজমিরীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শামছুল আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক মোহন মিয়া, মোহিত মিয়া, সলিমউল্লাহ মিয়া, বশির মিয়া, উজ্জল মিয়া প্রমুখ।আজমিরীগঞ্জ পৌর বিএনপি ঃ আজমিরীগঞ্জ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহমেদ জনফুল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদুর রশিদ ঝলক, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সাত্তার মেম্বার, শাহিদুল ইসলাম, আলী হোসেন, ইমরান মিয়া প্রমুখ।যুবদল ঃ জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জালাল আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সফিকুর রহমান সিতু, সহ সভাপতি মোশাহিদ আলম মুরাদ, কামরুল হাসান রিপন, এডভোকেট গুলজার খান, রবিউল আলম রবি, নজরুল ইসলাম কাওছার, আব্দুল করিম, টিপু আহমেদ, নজরুল ইসলাম, মালেম শাহ, মিজানুর রহমান সুমন, মুর্শেদ আলম সাজন, সাইদুর রহমান শামীম, আব্দুল হান্নান নানু, মাহমুদুর রহমান মাহবুব, এডভোকেট মোজাম্মিল হোসেন, আমিনুল ইসলাম আকনজি, মোশাহিদ আলী, মাহবুবুর রহমান মালু, এমদাদুল হক এমরান, অনু মিয়া, জহিরুল হক সোহেল, তারেক রহমান, কামরুল ইসলাম মাসুম, নরোত্তম দাস, মোহাম্মদ আলী, আবু সালেক, শাহানুর রহমান আকাশ, লুৎফুর রহমান, বাদশা সিদ্দিকী, জি এম নুরুল হক, শামছুর রহমান জুয়েল, শিষ আলী, নুরুল আমিন, শামীম আহমেদ নাসিম, হাফেজ মোঃ বাবুল, ঈমান উদ্দিন, রওশন আলী, ওয়াহিদ মুরাদ, নাসির উদ্দিন আফরোজ, উজ্জল মিয়া, জুম্মন মিয়া, আদম আলী, মোতাক্কিন আহমেদ জয়নাল, শেখ মোঃ শাহিন, মোঃ নুর উদ্দিন, শেখ জাকারিয়া প্রমুখ। আইনজীবি ফোরাম ঃ আইনজীবি ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট খন্দকার মোঃ শাহীন, এডভোকেট জসিম উদ্দিন, এডভোকেট কুতুব উদ্দিন জুয়েল প্রমুখ।শ্রমিকদল ঃ জেলা শ্রমিকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রতন আনসারী, সোহেল এ চৌধুরী, আব্দুল খালেক, আব্দুল কাইয়ুম, আব্দুল হক, আশরাফুল আলম সবুজ, হাসন আলী, নাসির মিয়া, শাহিদ সরদার, কাজল মেম্বার, আমীর আলী প্রমুখ। স্বেচ্ছাসেবক দল ঃ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জহিরুল হক শরীফ, আব্দুল আহাদ আনসারী, শেখ মুখলিছুর রহমান, আব্দুল কাইয়ুম, সৈয়দ রুহেব হোসেন, মোজাম্মেল হোসেন, সাচ্চু মিয়া, ইয়াজ উদ্দিন রাশেদ, আজিজুর রহমান হৃদয় প্রমুখ। মৎস্যজীবি দল ঃ জেলা মৎস্যজীবি দলের সভাপতি এডভোকেট মুদ্দত আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ, তাজুল ইসলাম, মিন্টু লাল দাস, ইউসুফ মিয়া, তাহির উদ্দিন প্রমুখ। জাসাস ঃ জেলা জাসাসের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান চৌধুরী, সদস্য সচিব আলী হোসেন সোহাগ, ফজর আলী ফজল, তোফাজ্জুল হক, এমদাদুল হক লিটন, নুর আলম প্রমুখ।মহিলা দল ঃ জেলা মহিলাদলের সিনিয়র সহ সভাপতি নুরজাহান বেগম, সহ সভাপতি নাদিরা খানম, আফরোজা চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিমু আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক সুরাইয়া খানম রাখি, শিরিনা বেগম, আইরিন আক্তার, শেখ নেহারা বেগম, পিয়ারা বেগম প্রমুখ। কৃষক দল ঃ জেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম, শফিক মিয়া, হোসাইন আহমেদ, আব্দুর রউফ, জিতু মিয়া।
ছাত্রদল ঃ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম হাফিজুল ইসলাম, সহ সভাপতি শফিকুল ইসলাম লিটন, রায়হান বেলাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাহবুব, সাইফুল ইসলাম রকি, আল আমিন তালুকদার, কামরুজ্জামান উজ্জল, শাহ আলম হোসাইন, মাজহারুল আলম রাবিব, রুমেল খান চৌধুরী, সৈয়দ আশরাফ উদ্দিন, ফয়জ উল্লাহ, আবিদুর রহমান রাখিব, হাফেজ শফিক চৌধুরী, এহসানুল হক ইমরান, নাজমুল হোসেন অনি, ইকবাল হোমেন রুমন, মোজাম্মেল হোসেন জুমন, হাফিজুল ইসলাম ইমন, ফয়জুল ইসলাম ইব্রাহিম, মোজাক্কির হোসেন ইমন প্রমুখ।

Read 219 times
Rate this item
(0 votes)
Login to post comments
  1. LATEST NEWS
  2. Trending
  3. Most Popular